নিজস্ব প্রতিবেদক:
১৯৯২ সালের কথা বাংলাদেশে তখন সাংবাদিকতার অবস্থা অনুন্নত ছিল। সে দুরবস্থা ক্রমেই কেটে যেতে থাকে এবং এখানেই তৈরি হতে থাকে সাংবাদিকদের এদেশীয় এক নতুন প্রজন্ম। এই নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের হাতেই বাংলাদেশে সাংবাদিকতার এক নতুন ধারার সৃষ্টি হয়। এ নতুন ধারার নব প্রজন্মের একজন সাংবাদিক মামুন হায়দার।
প্রায় তিন দশক সময় ধরে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের বর্তমান সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে মামুন হায়দার পাইওনিয়ার বা অগ্রপথিক। তিনি বিশ্বাস করেন-সাংবাদিকতা হচ্ছে সবচেয়ে সুন্দর ও সম্মানজনক পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর পেছনে কারণও আছে। কারণ হচ্ছে- যাঁরা সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাঁরা সবার সামনে তথ্য উপাথ্য ও সত্যকে তুলে ধরেন সাহসিকতায়। এই তুলে ধরার কাজটা মোটেও সহজ নয়। কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। সাংবাদিকরা এই চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করেন প্রতিনিয়ত। পেশাদারিত্বের প্রয়োজনে তাঁরা অনেক কঠিন পথ পাড়ি দেন। ওই কঠিন পথের বাঁকে বাঁকে নানা বাঁধারও সম্মুখিন হন। তবুও তাঁরা দেশ জাতির কল্যাণে কাজ করেন।
সাংবাদিক মামুন হায়দারও বহু কঠিন পথ অতিক্রম করে চলেছেন। তাঁর সহকর্মী ও সুধী মহলে তাঁকে সাংবাদিকদের অগ্রপথিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মামুন হায়দার বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার সাংবাদিকতায় একটি অনন্য নাম। অত্যন্ত মেধাবী, সৎ ও নির্ভীক একজন সাংবাদিক। বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয় এই সাংবাদিকের রিপোর্ট প্রকাশের পর।
মামুন হায়দার বাংলাদেশের প্রাচীন ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মুখপাত্র দৈনিক ইত্তেফাকে কাজ করছেন প্রায় দুই যুগ ধরে। তাঁকে নিয়ে গর্ব করার মতো অনেক কিছু রয়েছে। ধীরস্থির, অত্যন্ত স্বাধীনচেতা একজন সাংবাদিক। জেলাজুড়েই তাঁর সুনাম জারি রয়েছে সাংবাদিকতা অঙ্গণে। তিনি সাংবাদিকতার প্রসার ও সমৃদ্ধি ঘটিয়ে চলেছেন এটা বলা চলে নিঃসন্দেহে।
এসএস/জুয়েল