নিজস্ব প্রতিবেদক:
সময়ের সাথে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সমাজকাঠামো, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, প্রথা-প্রতিষ্ঠান নিয়ত পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীলতা সমাজের ধর্ম। এই পরিবর্তনশীলতার সাথে লড়াই করে মানুষ তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। এজন্য মানুষকে ব্যবহার করতে হয়েছে তার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বুদ্ধিবৃত্তি ও পরিশ্রম করার ক্ষমতা। মানব প্রজাতির আদিম অবস্থা থেকে সভ্যজগতে উত্তীর্ণ হতে বুদ্ধিবৃত্তি তথা মেধা, শিক্ষা ও পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
শিক্ষা ও সাংবাদিকতা এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক। এই কাজে যারা নিয়োজিত থাকেন তারাই সাংবাদিক এবং তারা সমাজের অন্যান্য মানুষের নিকট অতীব সম্মানীয় হয়ে থাকেন। কারণ, একজন সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, তার প্রতিচ্ছায়া সমাজে প্রতিফলিত হয়। একজন সাংবাদিককে হতে হয় সব মানবিক গুণাবলীর অনন্য আঁধার। সাংবাদিকদের সমাজের মানুষ উঁচুমাত্রায় সম্মান দেখান। কারণ, তারা জাতির অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাংবাদিক মানেই সবার শ্রদ্ধা-সম্মানের আলোয় বাস করা একজন মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আদর্শ মানুষ।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব যখন সব কিছুর উর্ধ্বে উঠে ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থায় তাদের স্বীয় মেধা, প্রজ্ঞা, স্বকীয়তায় এগিয়ে যাচ্ছেন তখনই আশার আলো। এমনই একজন গণমাধ্যম ব্যক্তি সাংবাদিক মামুন হায়দার। তিনি টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম একজন সাংবাদিক বা গণমাধ্যম ব্যক্তি। তিনি গতিশীল সাংবাদিকতা করে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার সফলতা রয়েছে অনেক। তিনি একজন নিভর্রযোগ্য সংবাদকর্মী। তিনি টাঙ্গাইল জেলার জনপ্রিয় সাংবাদিক। তুমুল জনপ্রিয় এই সাংবাদিকের জনপ্রিয়তা এমনি এমনি তৈরি হয়নি। তার ব্যক্তিত্ব, নৈতিকতা, প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব প্রদান ক্ষমতা এবং সর্বোপরি সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের প্রতি ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাকে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তার এই জনপ্রিয়তার দৃষ্টান্ত দেখতে পাওযা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুকে। ফেসবুকে তার শুভ্যানুধায়ী ও ফলোয়ারের সংখ্যা অসংখ্য। তিনি একজন মানবপ্রেমী সাংবাদিক। তিনি অনেক সামাজিক কর্মকান্ড করে অসচ্ছল ব্যক্তিদের শুধু আর্থিকভাবেই নয় মানসিকভাবেও তিনি তাদের পাশে দাঁড়ান পিতৃসুলভ ভালোবাসায়। এসবের বাইরে সমাজের দরিদ্র মানুষের জন্য রয়েছে তার অকৃত্রিম মমত্ববোধ। দরিদ্র মানুষদেরও তিনি আর্থিক সহযোগিতাসহ নানাভাবে সাহায্য করেন। তার কাছে সাহায্য চেয়ে কেউ ফিরে এসেছে এমনটি জানা নেই।
সাংবাদিক মামুন হায়দার প্রকৃতই একজন সাদা মনের মানুষ। তার সহজ-সরল মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে। করোনাকালে অনেক মানুষকে তিনি আর্থিক সহযোগিতা করেছেন নিরবে। এ থেকেই বুঝা যায় তিনি কতটা সৎ, নির্লোভ এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একজন সাংবাদিক। সাংবাদিক মামুন হায়দারের এই মানবিক গুণাবলী তার সহজাত। তার প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, তিনি টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তিনি অনেক কষ্টেসৃষ্টে এ পর্যায়ে এসেছেন। এই সাংবাদিকের জীবনটা অনেক সংগ্রামের। তার জীবনে সফলতার পেছনে রয়েছে অনেক অধ্যাবসায়। তিনি মনে করেন- জীবনে সফলতা পেতে হলে নিজেকে মহৎ হতে হবে। আর কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। তাঁর মতে মানুষের ভালোবাসাটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জন। এই ভালোবাসা দিয়েই তিনি পেয়েছেন মানুষের সহযোগিতা। আর এই সহযোগিতার মধ্য দিয়েই তিনি সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সফলতার পিছনে রয়েছে মানুষের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা।
মামুন হায়দার মানবিক গুণাবলী ও ভালোবাসা দিয়েই তিনি সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। তিনি উঠে এসেছেন এক অতি সাধারণ পরিবার থেকে শুধু মেধার জোরে এবং অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা পেয়ে। এজন্য তিনি কখনো মানুষের এই ভালোবাসার অবমাননা করেননি। এই ভালোবাসায় তাকে সাহস যোগায় অন্যায় না করতে, অমানবিক না হতে। শত প্রতিকূল অবস্থাতেও তিনি দৃঢ় থাকেন সত্য ও ন্যায়ের পথে। কারণ তিনি এদেশটাকে, এদেশের মানুষকে ভালোবাসেন পরম মমতায়। তাঁর হৃদয়ে ধারণ করে আছেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের।
সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা ও সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন সাংবাদিক মামুন হায়দারের সফলতা অব্যাহত থাকুক।
এসএস/জুয়েল