নিজস্ব প্রতিবেদক
টাঙ্গাইলের সখীপুরে কোচ নারীকে (৪০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ওই কোচ নারী গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১৩ জুন) সখীপুর থানা পুলিশের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তার বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন এবং মামলার এজাহারে স্বাক্ষর নেন। এরপর মামলাটি আমলে নেয় সখীপুর থানা পুলিশ।
সখীপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। দীনা সরকার নামে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য দুই আসামি মন্টু সরকার ও শবদুল মিয়া ধর্ষণে সহযোগিতা করেন এবং ওই নারীকে শারীরিক নির্যাতন করেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি (দক্ষিণ) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ দিকে রোববার বিকেলে ওই আদিবাসী নারীকে হাসপাতালে দেখতে যান জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় ও টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান।
জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি বলেন, সরকারিভাবে তার চিকিৎসার খরচ বহন করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণকারীদের খুব দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
কোচ নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার বিবৃতি দিয়েছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি চেয়েছে সংগঠনটি।
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারীর অকালপ্রয়াত ছেলে তৌকির অমর্ত্যের নামে প্রতিষ্ঠিত অমর্ত্য ফাউন্ডেশন ওই নারীর চিকিৎসার সব খরচ বহন করার দায়িত্ব নিয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।