নিজস্ব প্রতিবেদক
টাঙ্গাইলের সখীপুরে কলেজছাত্র মাজহারুল ইসলাম(২১) হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার মুক্তার ফোয়ারা চত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
এ সময় মাজহারুল ইসলামের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াদুদ হোসেন, কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন, ডাঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি মজিবর রহমান মজিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি কামরুল হাসান, কালিয়ান বাজার বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আতিকুজ্জামান সবুজ, ইউপি সচিব আনোয়ার হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ নেতা আশিক জাহাঙ্গীর, আসলাম শিকদার নোভেল, স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য স্বপ্না আক্তার ও রমেছা আক্তার, ইউপি সদস্য উজ্জল হোসাইন, নিহত মাজহারুলের চাচাত ভাই মামুন শিকদার, উপজেলা যুবলীগের সদস্য আজাদ রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাসেল আল মামুন প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, খেলার মাঠে মেয়েদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে মো. মাজহারুল ইসলাম(২১) নামের শিক্ষার্থী সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
সে কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি মাঠে গত শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ওই এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের মধ্যে একটি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকজন বখাটে খেলা দেখতে আসা এলাকার মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই দোহানীপাড়ার বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা তাকে কিল, ঘুষি মারে।
এ ঘটনার সূত্রধরে এরপর খেলা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম(১৮), ছাব্বির আহমেদ(১৭) সহ সাত-আট জন মিলে দেশীয় অস্ত্র লোহার রড ও দা দিয়ে মাজহারুল ইসলামকে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যান্যরা মাজহারুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এসএস/জুয়েল