সানস্টার নিউজ ডেক্স
দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু—দুটিই বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪০টিই সংক্রমণের অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনা করে এই ঝুঁকি চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আশঙ্কা করছে, স্বাস্থ্যবিধি এবং সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ না মানলে চলমান করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশের বিভিন্ন জেলায় লকডাউন চলছে। রাজধানী ঢাকাকে বিচ্ছিন্ন রাখতে আশপাশের চার জেলাসহ সাত জেলায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপে কবে ও কতটুকু সুফল আসবে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না।
নিয়মিত ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যতম মুখপাত্র রোবেদ আমিন বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ কার্যকর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনে কঠোর হওয়ার অনুরোধ করেন।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। চলতি বছরের মার্চ থেকে দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮৫ জনের। এ পর্যন্ত দেশে মোট ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৭ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৯১ হাজার ৫৫৩ জন, আর মারা গেছেন ১৩ হাজার ৭৮৭ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। প্রায় দেড় বছর ধরে দেশে সংক্রমণ চলছে।
এসএস/রানা